April 15, 2026, 11:01 pm
শিরোনামঃ
সাব-রেজিস্ট্রার বদলি: শতকোটি টাকা দুর্নীতিতে আসিফ নজরুলের সহযোগী হিসেবে নেপথ্যে রমজান-মাইকেল চক্র জনগণের দেওয়া দায়িত্বই এখন প্রধান কাজ: ইশরাক ৩০ আসনে ভোট কারচুপির অভিযোগ জামায়াতের ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন: পর্যবেক্ষকদের প্রাথমিক মূল্যায়ন ঢাকা-১৬ আসনে ভোট ‘ইঞ্জিনিয়ারিং এর অভিযোগ আমিনুল হকের ঢাকার কোন আসনে কে জয়ী হলেন বিএনপি জোট পেল ১৩ আসন, জামায়াত জোট ৭ এদের তো ভোট নাই, এত ভোট ওরা পেল কিভাবে: মির্জা আব্বাস গণভোটে ঢাকার আসনগুলোয় এগিয়ে ‘হ্যাঁ’ বিএনপির বিজয়: দেশের গণতন্ত্র এবং মুক্তিযুদ্ধের চেতনার পুনর্জাগরণ: জাপার একাংশ অনিয়মের অভিযোগ: ঢাকা–১৪ আসনের ফলাফল স্থগিত চান তুলি

ঢাকা-১৬ আসনে ভোট ‘ইঞ্জিনিয়ারিং এর অভিযোগ আমিনুল হকের

স্টাফ রিপোর্টার

ঢাকা-১৬ আসনে ধানের শীষের প্রার্থী মো. আমিনুল হক ভোট ইঞ্জিনিয়ারিং ও ব্যাপক জালিয়াতির অভিযোগ তুলে গেজেট প্রকাশ স্থগিত করে পুন: নির্বাচনের দাবি জানিয়েছেন।

শনিবার (১৪ ফেব্রুয়ারি) পল্লবীর নিজ কার্যালয়ে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি অভিযোগ করেন যে, প্রশাসন ও প্রতিপক্ষ প্রার্থীর যোগসাজশে তার নিশ্চিত বিজয় ছিনিয়ে নেওয়া হয়েছে। আমিনুল হক দাবি করেন, সরকার ঢাকা শহরের কয়েকটি আসনে একটি নির্দিষ্ট দলকে বিশেষ সুবিধা দেওয়ার চেষ্টা করেছে এবং এর অংশ হিসেবেই ঢাকা-১৬ আসনে ধানের শীষের নিশ্চিত জয়কে কারচুপির মাধ্যমে পরাজয়ে রূপান্তর করা হয়েছে।

সংবাদ সম্মেলনে আমিনুল হক সরাসরি জালিয়াতির প্রমাণ হিসেবে পল্লবী বিদ্যানিকেতন কেন্দ্রের ফলাফল শিট প্রদর্শন করেন। তিনি অভিযোগ করেন, প্রথমে একটি কেন্দ্রে ধানের শীষের ভোট ৪৫৬ এবং আম প্রতীকের তারিকুল ইসলামকে ৫৮৩ ভোট আর দাঁড়িপাল্লার প্রতিককে দেয়া হয় শূন্য ভোট। পরবর্তীতে সেই শিট ছিঁড়ে সুকৌশলে জালিয়াতি করে দাঁড়িপাল্লা প্রতীকের ঘরে ৪৫৬ ভোট বসিয়ে দেওয়া হয়েছে।

তিনি প্রশ্ন তোলেন, এর চেয়ে বড় জালিয়াতি আর কী হতে পারে। এছাড়াও তার কাছে এমন ৩০-র বেশি ফলাফল শিট রয়েছে যেখানে কোনো পোলিং এজেন্টের স্বাক্ষর নেই এবং অনেক কেন্দ্রে প্রিজাইডিং অফিসার নিজেই সিল মেরেছেন বলে তিনি ভিডিও প্রমাণ হাজির করেন।

আচরণবিধি লঙ্ঘনের গুরুতর অভিযোগ তুলে বিএনপি নেতা আমিনুল হক আরও বলেন, গত ১১ তারিখ রাতে জামায়াতের প্রার্থী বাউনিয়াবাদ আইডিয়াল স্কুল ও লালমাটি কমিউনিটি স্কুলের মতো বিভিন্ন কেন্দ্রে ঢুকে প্রিজাইডিং অফিসারের কক্ষে গিয়ে বৈঠক করেছেন, যা আইনত দণ্ডনীয়। জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেটদের বিষয়টি জানানো সত্ত্বেও কার্যকর কোনো ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি বলে তিনি ক্ষোভ প্রকাশ করেন।

উল্লেখ্য, এই আসনে জামায়াত প্রার্থী মো. আব্দুল বাতেন ৮৮ হাজার ৮২৮ ভোট পেয়ে বিজয়ী হয়েছেন, যেখানে আমিনুল হক পেয়েছেন ৮৫ হাজার ৪৬৭ ভোট।

এ সময় তিনি ধানের শীষ প্রতীকের বাতিল করে দেয়া ভোটের কথা তুলে ধরে বলেন ৩৭৪৪ ভোট বাদ দেয়া হয়। অথচ এই ভোট কাউন্ট হলেও তিনি জিতে যান।

মাত্র ৩ হাজার ৩৬১ ভোটের ব্যবধানে জয় পরাজয় আসায় এবং অসংখ্য কেন্দ্রে এজেন্টদের বের করে দেওয়ার অভিযোগ ওঠায় পুরো নির্বাচনী প্রক্রিয়া নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন ধানের শীষের এই প্রার্থী।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *


Our Like Page